স্পর্শরহিত
Abstract
এই নাটিকার কাহিনি গড়ে উঠেছে সমসাময়িক সামাজিক আবহে একজন পুরুষ, তার অর্ধাঙ্গিনী এবং আর অন্য এক পুরুষকে ঘিরে। অপরিচিত ওই তৃতীয় ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় এবং সেই সূত্রে নারীর জীবনের শূন্যতা কীভাবে কিছুটা পূর্ণ হয়, তা নিয়েই অতি ক্ষুদ্র পরিসরের এই নাটক। স্বামীর ব্যস্ততাপ্রবণ জীবনই নারীর বেদনার উৎস। সে বড় একাকী। হঠাৎ করেই একদিন স্বামী তার স্ত্রীকে একজন রোগীর গল্প বলে। নারী প্রস্তাব করে, তাকে কি আমাদের বাড়িতে নৈশভোজে ডাকা যায়? এবং তিনি এসেছিলেন যেন ওই নারীর নিঃসঙ্গতার উত্তর হিসেবে। তৃতীয় ব্যক্তির পেশা হলো প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার । নারী এমন এক প্রত্নস্থানে গিয়ে বুঝতে পারে ওই পুরুষের জন্য তার সান্নিধ্যের আকাঙ্ক্ষা কত গভীর! সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতি, প্রেম, দৈহিক সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবেই নারীর আসক্তি জাগিয়ে তোলে। কিন্তু কিছুকাল অতিবাহিত হওয়ার পর নারী পুনরায় শূন্যতার জালে বন্দিত্ব বরণ করে।