জয়ন কে চেরিয়ানের কবিতা

Authors

  • জ্যোতির্ময় নন্দী Translator

DOI:

https://doi.org/10.66329/BAAP.v1i2.47

Abstract

ভারতীয় কবি, চলচ্চিত্র নির্মাতা জয়ন কে চেরিয়ান কবিতা লিখে থাকেন জয়ন কে সি নামেও। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাসরত জয়ন লেখেন মাতৃভাষা মালয়ালামে ও ইংরেজিতে। তাঁর ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘শেপ অব দ্য শেপলেস' আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব সার্কিট, দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকার বেশ কয়েকটি উৎসবের মতো অনেক চলচ্চিত্র উৎসবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এটি সান ফ্রান্সিসকো শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০১০-এ সিলভার জুরি পুরস্কার, সেরা সিনেমাটোগ্রাফির জন্য ইস্টম্যান কোডাক পুরস্কার এবং সেরা তথ্যচিত্রের জন্য সিটি ভিশনস ২০১০ পুরস্কার জেতে। জয়ন চলচ্চিত্র ও সৃজনশীল লেখায় সম্মানসহ স্নাতক হন হান্টার কলেজ থেকে এবং লেখা, চলচ্চিত্র পরিচালনা ও সিনেমাটোগ্রাফিতে এমএফএ ডিগ্রি নেন নিউইয়র্কের সিটি কলেজ থেকে। কা বডিস্কেপস (২০১৬) তাঁর সাম্প্রতিকতম ফিচার ফিল্ম। পাপিলিও বুদ্ধ (২০১৩) সমালোচকদের প্রশংসা পাওয়া তাঁর প্রথম কাহিনিচিত্র, যেটা ৬৪তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরামা বিভাগে প্রদর্শিত হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষামূলক প্রামাণ্যচিত্র এবং বর্ণনাত্মক স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি তৈরি করেছেন তিনি, যেমন : শেপ অব দ্য শেপলেস (২০১০), লাভ ইন টাইম অব ফোরক্লোজার (২০০৯), সোল অব সোলায়মান (২০০৮), ক্যাপচারিং অব সায়েন্স (২০০৮), হলি মাস (২০০৭), ট্রি অব লাইফ (২০০৭), সিমুলক্রা দা রিয়ালিটি অব দ্য আনরিয়াল (২০০৭), ইনার সাইলেন্স অব দ্য ট্যুমুল্ট (২০০৭), হিডেন থিংস (২০০৭), এবং তাণ্ডব দ্য ড্যান্স অব ডিজইলিউশন (২০০৬)। মালয়ালমে লেখা তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো হলো : অযোধ্যানাখিন্টে অচুতন্তু (যুদ্ধের অক্ষ: ১৯৯৬), আয়নম বচন রেখায়িল্ (কবিতার পঙ্ক্তিতে ভ্রমণ: ১৯৯৯), পরিমরফিজম (২০০২), পচাক্কু (এটা যেমন: ২০০৬)। জয়ন একজন বহুপ্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও কবি হওয়া সত্ত্বেও মুম্বাই, কেরালা, এথেন্স ও বার্লিনের চলচ্চিত্র উৎসবে অসংখ্য পুরস্কার জিতলেও, ভারতে তাঁর কাজ নিষিদ্ধ এবং তাঁকে কয়েকবার হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। জয়ন মনে করেন, ভারত এখনো একটা ‘ঐতিহাসিক নিশ্চলতার ফ্রেম'-এ আটকা পড়ে আছে। ‘সমকামিতা'র মতো নানা বিতর্কিত বিষয় তাঁর কাজে তুলে ধরার কারণেই ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের রক্ষণশীল অভিভাবকদের এত রাগ জয়ন কে সির ওপর। নিচে অনূদিত ‘ভূগোল’ শিরোনামের তৃতীয় কবিতাটি ‘সমকামিতা’র ওপর একটা উৎকৃষ্ট কবিতা হিসেবে বিবেচিত, যেখানে মানুষের শরীর, পৃথিবী এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ভূগোল একাকার হয়ে গেছে।

Downloads

Published

2023-10-01